সাধারণ সীমার বাইরে যেতে চাইলে 1111 b-এর হাই রোলার প্রোগ্রামই আপনার জন্য। এখানে বেটিং লিমিট নেই বললেই চলে, পেমেন্ট হয় সবচেয়ে দ্রুত এবং একজন ডেডিকেটেড অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার সবসময় পাশে থাকেন।
1111 b-তে তিনটি স্তরে হাই রোলার সুবিধা পাওয়া যায়। যত বেশি খেলবেন, সুবিধাও তত বাড়বে।
হাই রোলার শব্দটা শুনলে অনেকের মাথায় আসে হলিউডের ক্যাসিনো মুভির দৃশ্য। কিন্তু বাস্তবে এটা অনেক সহজ — যিনি নিয়মিত বড় অঙ্কের বাজি ধরেন এবং একটু বেশি সুবিধা চান, তিনিই হাই রোলার। 1111 b-তে এই সুবিধাগুলো পাওয়া এখন বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্ত থেকেই সম্ভব।
সাধারণ একজন খেলোয়াড় হয়তো প্রতিদিন কয়েকশো টাকা বেট করেন। কিন্তু যারা নিয়মিত হাজার বা লাখ টাকার বাজি ধরেন, তাদের জন্য সাধারণ অ্যাকাউন্টের সীমাবদ্ধতা মাঝে মাঝে বিরক্তিকর হয়ে পড়ে। 1111 b-এর হাই রোলার প্রোগ্রাম ঠিক এই সমস্যাটাই সমাধান করেছে। এখানে ডিপোজিট ও উইথড্রয়ের সীমা অনেক বেশি, অডস আলাদাভাবে আলোচনা করার সুযোগ আছে এবং বড় টুর্নামেন্টে আলাদা আসন থাকে।
প্রতিটি লেনদেন এনক্রিপ্টেড ও সুরক্ষিত।
ডায়মন্ড সদস্যদের পেমেন্ট ১৫ মিনিটে।
একজন নিজস্ব অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার।
আপনার খেলার ধরন অনুযায়ী অফার।
1111 b-এর হাই রোলার প্রোগ্রামে প্রতিটি গেমের জন্য আলাদা বেট লিমিট রয়েছে
ডায়মন্ড টায়ারের সদস্যরা চাইলে আরও বেশি লিমিটের জন্য সরাসরি তাদের ডেডিকেটেড ম্যানেজারের সাথে কথা বলতে পারেন। সাহায্য কেন্দ্র থেকে যোগাযোগ করুন।
বাংলাদেশে যারা নিয়মিত বড় অঙ্কের বেটিং করেন, তাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো পেমেন্ট। বেট জেতার পরেও টাকা তুলতে দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হয় — এই অভিযোগ অনেকের কাছ থেকে শোনা যায়। 1111 b এই সমস্যাটা সরাসরি সমাধান করেছে। হাই রোলার সদস্যদের উইথড্র রিকোয়েস্ট সবার আগে প্রসেস হয়।
এ ছাড়া বড় অঙ্কের বেটে অডস সবসময় একই থাকে না — অনেক প্ল্যাটফর্ম বড় বেট দেখলে অডস কমিয়ে দেয়। 1111 b-তে হাই রোলার সদস্যদের জন্য অডস আলাদাভাবে নেগোশিয়েট করার সুযোগ আছে। মানে আপনার ব্যক্তিগত ম্যানেজার আপনার পক্ষে কাজ করেন — সাধারণ যা পাওয়া যায় তার চেয়ে ভালো অডস পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
বোনাসের ক্ষেত্রেও পার্থক্য আছে। সাধারণ সদস্যরা যে স্বাগত বোনাস পান, হাই রোলাররা পান কাস্টম বোনাস যা তাদের খেলার ইতিহাস ও পছন্দ অনুযায়ী তৈরি। ক্রিকেট বেটিংয়ে আগ্রহী হলে সেই অনুযায়ী অফার আসবে। লাইভ ক্যাসিনোতে বেশি সময় কাটালে সেখানেও আলাদা ক্যাশব্যাক থাকবে।
হাই রোলার সদস্যদের সব উইথড্রয়ে কোনো ট্রানজেকশন চার্জ লাগে না।
প্রতি মাসে হাই রোলার-অনলি টুর্নামেন্ট হয় যেখানে পুরস্কার পুল ৫০ লাখ টাকারও বেশি।
ডায়মন্ড সদস্যদের জন্য আলাদা হটলাইন নম্বর — ২৪ ঘণ্টা, ৭ দিন।
মাত্র চারটি ধাপে 1111 b হাই রোলার প্রোগ্রামে আসুন
1111 b-তে বিনামূল্যে নিবন্ধন করুন। পুরো প্রক্রিয়া ৫ মিনিটের মধ্যে সম্পন্ন হয়।
বড় লিমিটের জন্য NID বা পাসপোর্ট দিয়ে কেওয়াইসি সম্পন্ন করুন।
হাই রোলার লিমিটে প্রথম ডিপোজিট করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিলভার টায়ারে ঢুকবেন।
বেট বাড়ার সাথে সাথে টায়ার আপগ্রেড হয় এবং সুবিধাও বাড়তে থাকে।
ঢাকার একজন নিয়মিত ক্রিকেট ভক্ত জানিয়েছেন, 1111 b-তে হাই রোলার হওয়ার আগে তিনি অন্য প্ল্যাটফর্মে বেট করতেন। কিন্তু বড় ম্যাচে বড় বেট দিতে গেলে লিমিটের সমস্যায় পড়তেন। এখানে এসে সেই সমস্যা আর নেই বলে তিনি জানান। গত বিশ্বকাপে বা ংলাদেশের একটি ম্যাচে তিনি বড় বেট ধরে ভালো পুরস্কার পেয়েছেন।
চট্টগ্রামের আরেকজন ডায়মন্ড সদস্য বলেন, উইথড্রয়ের গতি তাকে সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ করেছে। রাত ১২টায় জেতার পরেও ১৫ মিনিটের মধ্যে বিকাশে টাকা চলে আসে — এটা অন্য কোথাও সম্ভব হয়নি তার জন্য। ব্যক্তিগত ম্যানেজার থাকায় কোনো সমস্যা হলে সরাসরি ফোনে কথা বলার সুবিধাও পান তিনি।
সিলেটের একজন ফুটবলপ্রেমী জানিয়েছেন, ইউরোপিয়ান লিগের ম্যাচগুলোতে তিনি নিয়মিত বড় বেট করেন। 1111 b-তে আসার পর থেকে অডস নিয়ে আলাদাভাবে আলোচনা করার সুযোগ পাওয়ায় তার প্রফিট উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। গোল্ড থেকে ডায়মন্ড টায়ারে উঠতে তার সময় লেগেছে মাত্র তিন মাস।
এই অভিজ্ঞতাগুলো বলছে, 1111 b-এর হাই রোলার প্রোগ্রাম শুধু বড় লিমিটের জায়গা নয় — এটা একটা কমিউনিটি যেখানে সিরিয়াস বেটাররা একসাথে আছেন। মাসিক এক্সক্লুসিভ টুর্নামেন্টগুলোতে এই সদস্যরা একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতা করেন এবং বড় পুরস্কার পুলের জন্য লড়েন।
বড় বাজি মানে বড় দায়িত্বও। 1111 b সবসময় দায়িত্বশীল বেটিংকে সমর্থন করে। নিজের বাজেটের বাইরে বেট করবেন না। দায়িত্বশীল খেলা পেজ থেকে আরও জানুন।
হাই রোলার প্রোগ্রাম নিয়ে সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞেস করা প্রশ্নগুলো